কেমন আছেন বেইমান মীরজাফরের বর্তমান বংশধরেরা?

তারিখ:

পোস্ট শেয়ার করুন:

কেমন আছেন বেইমান মীরজাফরের বর্তমান বংশধরেরা?

মীরজাফর একটি কুখ্যাত নাম। তাকে নিয়ে লিখতে গিয়ে প্রথমেই দুটা লাইন মাথায় এলো-

ঘৃনা ভরে মানুষ যারে মনে করে,
কার কি সাধ্য তারে ভুলাবার চেষ্টায় মরে!

পলাশীর যুদ্ধ হয়েছে আজ থেকে অনেক বছর আগে-২৬৫ বছর তো আর কম সময় না। এতো বছরে মানুষ কয়েক প্রজন্ম আগের পুর্বপুরুষের নাম ভুলে যায়।নদীর গতিপথ বদলে যায়, গ্রাম হয় শহর, শহর হয় বিলীন – কত পুরানো জিনিস হয় বিলুপ্ত।নতুন জিনিস এর সমাহারে জীবন ছুটে চলে পেছনের সব ঝেড়ে ফেলে। ব্যাক্তিগত অথবা সামাজিক কোন আক্রোশ এতোদিনে এত পুরুষ পরে আর কোনোভাবেই টিকে না-

২৬৫ বছর! কত পুরুষ চেঞ্জ হয় এই ২৬৫ বছরে? আট পুরুষ, নয় পুরুষ- আদতে অনেক! এতোপুরুষ পরে কেউ কি আগের কথা মনে রাখে? ভালো হোক, খারাপ হোক কোন ব্যাপারই আর এতোদিন কেউ টেনে রাখেনা।

যাই হোক, বলছিলাম পলাশীর যুদ্ধের কথা! পলাশীর যুদ্ধের আগেও আরো অনেক যুদ্ধ হয়েছে, নবাব সিরাজউদ্দোলা ছাড়াও আরো অনেক নবাব এই বাংলায় নবাবী করে গেছেন- কিন্তু তবুও নবাব সিরাজউদ্দোলা আর পলাশীর যুদ্ধ আমাদের মনে গেঁথে আছে সুনিপুণভাবে। মানুষ না ভুলে যায় নবাব সিরাজউদ্দোলাকে,পাশাপাশি না ভুলে যায় মীর জাফরকে!

একজন মানুষের মনে গেথে আছে তার অসহায় বীরত্বের জন্য, আরেকজন কুখ্যাত বেইমান হিসেবে! অবাক হয়ে লক্ষ্য করলাম, মানুষ ভালোবেসে যতটা না নবাব সিরাজউদ্দোলাকে মনে করে, প্রচন্ড ঘৃণা ভরে মীর জাফরকে মানুষ আরো বেশী মনে করে।আসলে ভালোবাসা মলিন হয়ে গেলেও ঘৃনা মলিন হওয়া এতোটাও সহজ না। মানুষ বীরদের যেমন মনে রাখে, তেমনি বেইমানদের ও মনে রাখে।

ভুল বা অন্যায়ের ক্ষমা মানুষ করে দিতে পারে,কিন্তু বেইমানির ক্ষমা-এতটাও সহজ না।

পলাশীর যুদ্ধে নবাব এর প্রধান সেনাপতি মীর জাফরের বিশ্বাসঘাতকতা এক দুনিয়াজোড়া সাড়া জাগানো ঘটনা! বেইমানী করে মানুষ কি করতে পারে, তার উৎকৃষ্ট উদাহরণ হচ্ছে এই মীর জাফর আর এই পলাশীর যুদ্ধ। যেখানে ইংরেজ বাহিনীর পক্ষ্যে ইষ্ট ইণ্ডিয়া কোম্পানীর সৈন্য সংখ্যা ছিলো মাত্র ৩ হাজারের মতো, অপরদিকে নবাবের সৈন্য সংখ্যা ৬৫,০০০ এর ও ছিলো বেশী ( মীর জাফরের অনুসারী ছিলো ৪৫,০০০) সেই যুদ্ধেও নবাব সিরাজউদ্দোলা নির্মম পরাজয় বরণ করেছে এই মীর জাফরের বেইমানীর কারনে।

যুদ্ধ শেষে নবাব সিরাজউদ্দোলার করুন পরিনতি নিজ প্রাসাদে- নিজের আপনজনের হাতেই নির্মম মৃত্য! আর অপরদিকে মীর জাফরের মসনদ লাভ-

সময় মেলা পেরিয়েছে, গঙ্গার পানি অনেক গড়িয়েছে-নবাব সিরাজদ্দৌলার শোক বাংলার মানুষ ভুলেছে, পলাশীর চিহ্ন বেলা গড়িয়ে সব ইতিহাস পর্যন্তই আটকে পড়ে গেছে। কিন্তু মীর জাফর আলী খানের বেইমানি বাংলার মানুষ আজ পর্যন্ত ভুলতে পারেনি।

আর তাইতো বেইমান দের মানুষ গালি দেয় এইভাবে-
-আরে বেটা তুই তো একটা মীর জাফর !

মজার ব্যাপার ভারতের কিছু কিছু জায়গায় নির্বাচনী প্রচারণাতেও ব্যাবহৃত হয় মীর জাফরের নাম। পোস্টার ছাপানো হয় এভাবে, “অমুক প্রার্থী মীর জাফর, ওকে কেউ ভোট দিবেন না”

ইতিহাস খুব সুচারো ভাবে এই কুখ্যাত বেইমানকে এমনভাবে সাজা দিয়েছে-সে নিজে তো তার পাপের প্রায়শ্চিত্ত করেছে, তার ছেলে, ছেলের ছেলে, এভাবে চলতে চলতে এখন তার নবম বংশধরদের সময় চলছে-এই নবম বংশধরেরাও মীর জাফরের পাপের প্রায়শ্চিত্ত করে যাচ্ছে। করে যাচ্ছে এক ঘৃনিত জীবন যাপন। নবাবের বংশধর, অথচ লজ্জায় বলতেও পারেন না আমরা অমুক। সমাজের সাধারণ মানুষের মত না পারছে জীবন কাটাতে, উপরন্তু আশেপাশের মানুষের গালিগালাজ, খারাপ ব্যবহার- সব মিলিয়ে দুর্বিষহ এবং বিভিষিকাময় এক জীবন।

ইংরেজ শাসন যতদিন চলেছিলো,শাসকেরা পলাশীর যুদ্ধের সঠিক ইতিহাস বিকৃত করার অনেক চেষ্টা করেছিল। সাথে মীর জাফরের বংশধরেরাও চেয়েছে ইতিহাদ বদলিয়ে মীর জাফরকে বেইমানের উপাধি থেকে মুক্তি দিতে।

মীরজাফর এবং তাঁর পূত্র মীরমীরন পাবলিক ডোমেইন, https://commons.wikimedia.org/w/index.php?curid=19369397

কিন্তু, এই চেষ্টা আসলে কতটা সফল হয়েছিলো?
যা আসলেই ঘটে, তা কি আর পালটানো যায় হাজার তদবির করেও? ইতিহাস বিকৃতি করা কি এতোই সহজ? নাহ, পলাশীর যুদ্ধের ইতিহাস ভিন্নভাবে উপস্থাপন করার এই চেস্টায় কেউ সফল হতে পারেনি। তবে তাদের চেস্টা কি এখনো থেমে আছে? নাহ, নেই। এবং সেটা জানা যায় মীর জাফর আলী খানের বর্তমান বংশধরদের সাথে কথা বললেই।

মুর্শিদাবাদ, যেখানে রয়েছে মীরজাফরের বাড়ী সেখানে রয়েছেন মীর জাফরের বংশধরেরা- তাদের সবাই এখনো পর্যন্ত মীর জাফর আলী খানকে সরাসরি নির্দোষ দাবী করেন, চেস্টা করেন ইতিহাসকে সম্পুর্ন ভিন্ন খাতে নিতে।

এটা ঠিক পলাশীর যুদ্ধে ঠিক কি হয়েছিল তা আমরা স্বচক্ষে দেখিনি। কিন্তু তখনকার বাংলার মানুষ যারা ছিলেন, তারা দেখেছেন কতটা বিশ্বাসঘাতক হয়ে মীর জাফর সম্পুর্ণ নাটকীয়ভাবে ঘুরিয়ে দিয়েছিলেন পলাশীর যুদ্ধের মোড়! আর ইতিহাস কিন্তু সেখান থেকেই শুরু হয়েছিল।

যাই হোক, মীর জাফর আলী খানের অষ্টম বংশধর সৈয়দ রাজা আলী মীর্জা আর তার ছেলে ফাহিম পরিবারসহ থাকে মীর জাফরের মুর্শিদাবাদের লালবাগের ব্যান্ড মাস্টার্স কোয়ার্টার-এ। ফাহিম বর্তমানে একজন স্কুল শিক্ষক। তাকে মীর জাফরের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করা হলে সে জানায়-

‘‌ইংরেজরা তাদের মতো করে ইতিহাস লিখিয়েছিল। যেখানে তারা মীর জাফরকে বেইমান দেখিয়েছিল। কারণ তিনি ইংরেজদের অঙ্গুলি হেলনে চলতে চাননি। ওই ইতিহাস পড়েই সবার মধ্যে ধারণা হয়েছে মীর জাফর বেইমান বা সিরাজদৌল্লাকে হত্যার জন্য দায়ী। বিষয়টা কিন্তু এরকম নয়। মীর জাফর যদি মনে করতেন, তবে সিরাজদৌল্লাকে অনেক আগেই মেরে দিতে পারতেন।’‌

মীরজাফরের নবম বংশধর ফাহিম মীর্জার দাবি-
যুগ যুগ ধরে এক ভুলভাল ইতিহাস নিয়ে এভাবে মীর জাফরের পরিবারকে হেনস্থা করার আসলে কোন মানেই হয় না। পলাশীর যুদ্ধের পরে নবাব সিরাজউদ্দোলা যেভাবে বীর হয়ে ইতিহাসের পাতায় নিজের নাম লিখিয়ে নেন, মীর জাফরের নাম গাদ্দার বা বেইমান হিসেবে একইভাবে তখনকার ইংরেজরাই উঠিয়ে দেন।

ফাহিমের অকট্য যুক্তি- মীর জাফর ইংরেজদের কথা মত চলতে চাননি, চাননি ইংরেজদের ইশারায় নেচে বাংলা শাসন করতে- আর এ কারনেই ইংরেজরা সুকৌশলে মীর জাফরের নাম গাদ্দারের কাতারে বসিয়ে দিয়ে গেছে। আর মীর জাফর যে ইংরেজদের ষড়যন্ত্রের স্বীকার তা বুঝা যায় সহজেই- কারণ বেইমানি কী সে একাই করেছিলো? সাথে তো জগৎ শেঠ ও রায় ভল্লব এরাও ছিলো! কই তাদের নাম কেন গাদ্দারদের পেছনে লাগানো হয় না?

তাছাড়া হিন্দু অধ্যুষিত ভারত উপমহাদেশে, মীর জাফর মুসলমান হওয়ার কারণে তাকে এভাবে বেইমান সাজানো হয়েছে,আর রেহাই দেওয়া হয়েছে জগৎ শেঠ ও রায় ভল্লবকে-এটাই মনে করেন মীর জাফরের বর্তমান প্রজন্মেরা।

মীর জাফরের বংশধরেরা যাই বলুক, ইতিহাস বেইমানদের কখনো মাফ করে নাই । তারই ফলশ্রুতিতে এখনো এপাড় বাংলা কি ওপাড় বাংলা সবখানেই মীর জাফর এক সর্বোজন স্বীকৃত, ইতিহাস কুখ্যাত সর্বকালের সেরা বেইমান।

মীরজাফর যা চেয়েছিলো, পেয়েছিলো সবই । ক্ষমতা, সম্পদ, নবাবী ! আফসোস সব পেয়েও মীর জাফর ছিলেন ইংরেজদের হাতের পুতুল ! চার বছর শাসন করে যেতে পেরেছে সর্বসাকুল্যে। ইংরেজরা যখন বুঝলো একে দিয়ে আর কোন লাভ আসবে না, আস্তাকুঁড়ে ফেলে দিয়েছিল- এমনকি লর্ড ক্লাইভও বিশ্বাস করতো না মীর জাফরকে। সিরাজদ্দৌলার মত এমন প্রজাবান্ধব নবাবের সাথে মীর জাফর যেহেতু বেইমানি করতেই পেরেছে, কাজেই সে যে কারো সাথেই আবার একই কাজ করতে পারবে এটাই সবাই ধরে নিয়েছিলো।

মীরজাফর আমলের সম্পত্তি এখন আর নেই মীর জাফরের বংশধরদের আওতায়। সরকার অনেক আগেই এসব সম্পত্তি অধিগ্রহণ করে নিয়েছেন। নবাবী আমলের বলতে শুধু দুই তিনটা তরবারি রয়েছে মীর জাফরের বর্তমান বংশধরদের কাছে।

এখন আসি মূল আলোচনায়- কেমন আছে মীর জাফর খানের বংশধরেরা?

ভালো নেই আসলে। পলাশীর যুদ্ধের এত বছর পরেও বিশ্বাসঘাতকতার ঘ্লানি বয়ে বেড়াচ্ছে মীর জাফর আলী খানের বংশধরেরা।

মীর জাফর দেউরির ( মীর জাফরের বাড়ির এক অংশ) ভেতরে থাকতেন বংশধরদের কেউ কেউ। আশেপাশের মানুষের ক্রমাগত গাদ্দার গাদ্দার শুনতে শুনতে একটা সময় বাধ্য হয়ে তারা এই দেউরি ত্যাগ করে আশেপাশে স্থানান্তরিত হয়ে গেছেন। মীর জাফরের প্রাসাদে এখন কেউ থাকে না, পরিত্যক্ত হয়ে আছে গোটা এলাকা।

তবে, মীর জাফরের নবম বংশধর ফাহিমের কথায় আভাস পাওয়া যায় কিছুটা ভিন্নরকম । ফাহিম জানায় এলাকার লোকজন তাদের কোন ধরনের বিরক্ত করে না-কারণ এলাকার সবাই জানেন মীর জাফরের বিষয়টা নিয়ে আসলে যথেষ্ট সন্দেহ আছে। তাছাড়া কেউ এখনো জানেনা আসলে পলাশীর যুদ্ধে কি হয়েছিল। এমন ও হতে পারে, তখন ইংরেজরা কোন না কোনভাবে মীর জাফরকে বাধ্য করেছিল যার জন্য সে এভাবে বেইমানি করতে বাধ্য হয়েছিলো।

কিন্তু ফাহিম যেটাই বলুক, আসলে ঘটনাতো এটাই যে, মীরজাফরের বংশধরেরা নিজেদের বংশ পরিচয় দিতে চান না সহজে। বিশেষ করে বাইরের লোকজনের কাছে তারা তো সরাসরি অস্বীকার করে নবাবের বংশধর হওয়ার বিষয়ে। স্বীকার না করলেও তারা যে কতটা ভুক্তভোগী এটা বুঝা যায় মিডিয়ার সামনে তাদের বিব্রতকর উপস্থিতি দেখেই।

তবে এখানে একটা দারুণ তথ্য দিতে চাই- বেশ কিছুদিন আগে-মীর জাফরের অষ্টম বংশধর, মানে ফাহিমের বাবা মীর্জা সৈয়দ মোহাম্মদ রাজা আলী তার বাড়িতে থাকা বিভিন্ন দলিল, প্রমাণাদি ইত্যাদি একত্রিত করে একটা বই লিখেছেন ‘ মীর জাফর বেইমান নয়!’

এই বই প্রকাশের পরপরেই পুরো মিডিয়া এবং ভারত জুড়ে তোলপাড় লেগে গেছিল। এক পর্যায়ে বাধ্য হয়ে তিনি এই বইটি বাজার থেকে তুলে নিতে বাধ্য হোন।

রাজা আলীর এক ঘনিষ্ঠ বন্ধুর সাথে কথা বলে যা জানা যায়, মীর জাফরের বর্তমান বংশধরেরা যে খারাপ কিন্তু তা নয়। অন্যান্য লোকজনের মতোই তারাও ভালো খারাপ মিলিয়েই ৷ কিন্তু যুগের পর যুগ, ক্রমাগত মানুষের গালিগালাজ খেতে খেতে তারাও আর পারছে না। তাদের দোষ তো একটাই, তারা মীরজাফরের বংশে জন্মগ্রহণ করেছে। এছাড়া তো তাদের আর কোন দোষ নেই, তারা তো পলাশীর যুদ্ধও করেনি, নবাব সিরাজউদ্দোলার সাথে বেইমানিও করেনি৷

তবে সবাই যেখানে মীর জাফরের বিরুদ্ধে নিজের অবস্থান জানায়, কেউ কেউ আছে যারা মনে করে আসলে পলাশীর যুদ্ধে কি হয়েছিল, মীরজাফরকে কি সিরাজের বিরুদ্ধে বাধ্য করা হয়েছিল, না আসলেই মীর জাফর লোভে পড়ে এরকম করেছে, সেটা কিন্তু কেউ চোখে দেখেনি। সবটাই তো ইতিহাস ঘেঁটে পাওয়া- আর তাই এমনও হতে পারে, মীরজাফরকে যেভাবে ইতিহাসে উপস্থাপন করা হয়েছে আদতে তা যথাযথ নয়।

আর এজন্যই হয়তো ব্যক্তিগত দায়বদ্ধতা থেকেই রাজা আলি তার পুর্বপুরুষ নবাব মীর জাফর আলী খানকে বেইমানীর উপাধি থেকে মুক্ত করার কিছুটা প্রয়াস করেছিলেন। আর নিজেরাও মুক্ত হতে চেয়েছিলেন কালের পরিক্রমা ধরে বয়ে চলা এক অভিশপ্ত জীবন থেকে।

ধন্যবাদ সবাইকে।

গল্পসল্প ইতিহাস

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

spot_img

সম্পর্কিত নিবন্ধ

জুতা (ছোট গল্প)- আফিন্দী

জুতাবিদ্যুৎ’এর গলার তেজে ফাঁকা মেসরুম গমগম করে উঠলো, “ভাই, তুমি যাবে পাঁচ ভাইয়ে? খিদেয় আমার জান যায়! খালা...

মৃত্যু পরবর্তী জগতের অভিজ্ঞতা 

মৃত্যু পরবর্তী জগতের অভিজ্ঞতা  মৃত্যু পরবর্তী জীবনের অভিজ্ঞতা কেমন? মানুষ তার অনিশ্চিত জীবনে শুধু একটি বিষয়ের নিশ্চয়তা নিয়ে জন্মেছে।...

বুক রিভিউ- হুমায়ূন আহমেদের ‘মেঘ বলেছে যাব যাব’

বুক রিভিউ- হুমায়ূন আহমেদের 'মেঘ বলেছে যাব যাব' বুক রিভিউ- হুমায়ূন আহমেদের 'মেঘ বলেছে যাব যাব'।বইয়ের নাম:মেঘ বলেছে যাব...

ডা. স্যাটান: সিরিয়াল কিলার ডা. মার্সেল পেটিওটের ভয়ংকর গল্প!

তাকে আখ্যা দেয়া হয়েছিল ডা. স্যাটান বলে। তিনি একই সাথে একজন সৈনিক, ডাক্তার, মেয়র, ভয়ঙ্কর অপরাধী এবং সিরিয়াল...