রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং বনফুল-এর অম্লমধুর সম্পর্ক!

তারিখ:

পোস্ট শেয়ার করুন:

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং বনফুল-এর অম্লমধুর সম্পর্ক!

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের প্রবাদপুরুষ। তিনি কবিগুরু, বিশ্বকবি বলে পরিচিত। বাংলা সাহিত্যে একমাত্র নোবেল পুরষ্কার বিজয়ী। অন্যদিকে বনফুল ওরফে বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়  একজন বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক এবং ছোটগল্পকার। বিশ্বকবি এবং বনফুল, দুজনে একে অপরের সাথে পরিচিত ছিলেন। দুজনের মধ্যে ছিল এক অম্লমধুর সম্পর্ক। সেই সম্পর্ক নিয়ে আলোকপাত করা হচ্ছে এই নিবন্ধে।

ঘটনার শুরু বলা যায় ১৯৩৫ সালে। রামচন্দ্র শর্মা বলে রাজস্থানের জয়পুরের এক ব্রাক্ষণ যুবক কলকাতায় উপস্থিত। তিনি একদিন কালীঘাটের কালী মন্দিরের সামনে অনশন ধর্মঘট শুরু করলেন। তার দাবী ছিল কালীঘাটে পশুবলি বন্ধ করতে হবে। কিন্তু তার পক্ষে তখন কেউ ছিল না। সত্যি কথা বলতে বেশিরভাগ বাঙালি রামচন্দ্র শর্মার সেই কর্মসূচির বিরুদ্ধে ছিলেন। কিন্তু তাকে সমর্থন জানালেন আর কেউ নয়, স্বয়ং কবিগুরু। রামচন্দ্র ঠাকুরের জন্য একটা কবিতাও তিনি পাঠিয়ে দিলেন।

পুরো এই বিষয়টি নিয়ে অনেক বাদ প্রতিবাদ সে আমলে বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় ছাপা হলো। আনন্দবাজার পত্রিকার দোল সংখ্যায় সেই বিতর্কিত বিষয়কে কেন্দ্র করে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে সরাসরি আক্রমণ করে সেসময় একজন অনামী কবির ব্যঙ্গমূলক কবিতা ছাপা হয়েছিল। সেই কবিতাটিতে প্রশ্ন তোলা হয়েছিল যে কবিগুরু ছাগ-শিশুর প্রতি করুণা প্রকাশ করেছেন ঠিকই কিন্তু ফুলের তোড়া তৈরি করতে যে জীবন্ত ফুল তুলে আনা হয় কই কবি তাদের কথা কখনও তো ভাবেননি। প্রশ্ন তোলা হলো কবি যে তাঁর গরদের জামা পরেন তার জন্য যে লক্ষ লক্ষ কীটকে নৃশংসভাবে মেরে ফেলা হয়, কবি তো তাদের কথা কখনও বলেননি? আলতা পরার সময় যে কোটি কোটি প্রাণী প্রাণ দেয় কই কবি তো সেই প্রাণীদের কথা ভাবেননি? তাহলে পশুবলির বিরুদ্ধে, ছাগ-শিশুর পক্ষে কবির এই অকারন পক্ষপাতিত্ব কেন? তা এই কবিতাটি কবিগুরুর নজরে পড়েছিল।

তিনি দেখলেন কবির নাম বনফুল। তিনি অন্তরঙ্গ মহলে জানতে চাইলেন কে এই বনফুল? পাশাপাশি সবাইকে অবাক করে দিয়ে বনফুলের সাথে আলাপও করতে চাইলেন। বনফুল তাঁর কলেজের স্থানীয় এক বন্ধু মারফত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এই কথাগুলো জানতে পারেন। জানতে পেরে বিনয়ের সাথে বেশ রসেবশে তিনি জানালেন যে, তিনি একজন ব্রাক্ষন। একজন ডাক্তার। তাই কল ছাড়া, অর্থাৎ নিমন্ত্রণ ছাড়া কোথাও তিনি যান না। অবশেষে বনফুলকে সপরিবারের নিমন্ত্রন করলেন কবিগুরু। বলা বাহুল্য সেই নিমন্ত্রন পেয়েই বনফুল সপরিবারে সেই প্রথম গেলেন শান্তিনিকেতনে।

সেই প্রথম কবিগুরুর সাথে তাঁর পরিচয় হলো। খুব সম্ভবত সেই সময়ই কবিগুরু বনফুলকে বলেছিলেন, তোমার নাম বনফুল কে দিয়েছিলেন গো? তোমার নাম হওয়া উচিত ছিল বিছুটি! যা দু’এক ঘা দিয়েছো তার জ্বলুনি এখনও কমেনি। একটা সময় ছিল যখন আমাদের অনেকের কাছে বনফুল ও ছোটগল্প প্রায় সমার্থক মনে হতো। পরে ধীরে ধীরে জানতে পারি, বনফুল, যিনি আসলে ছিলেন ডাক্তার বলাইচাদ মুখোপাধ্যায়, তিনি শুধু একজন ছোট গল্পকার নন। তিনি একজন অসাধারণ ঔপন্যাসিকও। বাংলা সাহিত্যে সম্ভবত প্রথম জীবনি নাট্যকার এবং অজস্র রঙ্গব্যঙ্গমূলক কবিতার রচয়িতা।

১৯৪১ সালে বাংলা ১৩৪৮ সালের ২২শে শ্রাবণ, কবিগুরু প্রয়াত হয়েছিলেন। তাঁর মৃত্যুর মাত্র বছর তিনেক আগে, প্রথম কবির সান্নিধ্যে এসেছিলেন বনফুল। একেবারে শেষ জীবনে দুজনের দেখা হয়েছিল। বলা বাহুল্য সেই স্বল্পকালীন ঘনিষ্টতার মধ্য দিয়ে দুজনার মধ্যে তৈরি হয়েছিল গভীর এক বন্ধুত্বের সম্পর্ক। পরবর্তীতে বনফুল সেই দিনগুলোর কথা, সেই বন্ধুত্বের কথা, বই আকারে লিখে প্রকাশ করেছিলেন। রবীন্দ্রনাথের মৃত্যুর প্রায় সাতাশ বছর পরে ১৯৬৮ সালে প্রকাশিত হয়েছিল তাঁর সেই বই। বইটির নাম ছিল ‘রবীন্দ্রস্মৃতি’। বনফুল সম্পর্কে রবীন্দ্রনাথের যে মূল্যায়ন, সেই বিভিন্ন মূল্যায়নের সঙ্গে, আমরা প্রথম পরিচিত হই বনফুল রচিত সেই ‘রবীন্দ্রস্মৃতি’ বইটিতে। বইটিতে উল্লেখ আছে, বনফুলের সাহিত্য নিয়ে রবীন্দ্রনাথ বরাবর বেশ চাঁছাছোলা ভাষায় সমালোচনা করেছেন এবং বড়ই অবাক করা তথ্য হলো, রবীন্দ্রনাথের সেসব সমালোচনাকে বনফুল, গ্রহণ করলেও তিনি কিন্তু সবসময় সেসব সমালোচনার সাথে একমত হননি। এমনকি রবীন্দ্রনাথ কোন কোন ক্ষেত্রে পরিবর্তন, পরিবর্ধনের কথা বললেও, বনফুল সেসব পরামর্শ গ্রহণ করেননি। তিনি নিজের সৃষ্টিকে অপরিবর্তনীয় রেখেছিলেন। বেশ কয়েকটি উদাহরণ এখানে উল্লেখ করা যায়।

কবিগুরু বনফুলের ‘তৃণখন্ড’ উপন্যাস পড়ে লিখেছিলেন, ‘তোমার তৃনখন্ড পড়ে দেখলুম। নিশংসয়েই ভালো বলতে পারতুম যদি এরমধ্যে কবিতাগুলি না থাকতো- অস্থানে ওদের জায়গা দেয়া হয়েছে। ডাক্তারের ক্লিনিকে ওরা ভান করা সৌখিন রোগী – বোধ করি ওদের সম্বন্ধে তোমার কিছু লোভ আছে- ওটা ব্যবসায়িক নীতিবিরুদ্ধ- ওদের স্পষ্ট জবাব দিয়ে পাঠিয়ে দাও কাব্যের অন্তপুরে।’

এরপর বনফুলের ছোটগল্প প্রসঙ্গে ‘বনফুলের গল্প’ বইটি সম্পর্কে তিনি বললেন, ‘তোমার ছোটগল্পগুলোও পড়ে দেখলুম- কাঁচায় পাকায় মিশোল। বাছাই করা দরকার ছিল-গোলে হরি বোলে হরিবোল আছে কিন্তু গোলের উৎপাতে ক্ষতিগ্রস্ত। ‘টাইফয়েড’ গল্পটি ভালো। বোধ হলো ‘তৃণখন্ড’ থেকে এক অংশ ছিটকে পড়েছে। তুমি ডাক্তার নাকি। মুশকিল হলো, এই ভালো বলতে বলতে মাঝে মাঝে হুচট খেতে হয়। ‘বনফুলের কবিতা’ সম্বন্ধেও  সেই একই রকম কথা। যদি বাহুল্যের বেগ সামলে ছেঁকে দিতে পারতে তাহলে ভোজটা জমতো ভালোই। এই সামান্য কাজটা করোনি বলে দুঃখবোধ হয়- কেননা সাচ্চা জিনিস আছে যথেষ্ট, কিন্তু বহুলের ভিড়ে সে যথেষ্ট অসম্মানিত। কোন কোন রচনাকে ষোল ভাগ ভালো বলতে পারা যায় না বলে মনে ক্ষোভ হয়- কেননা আর একটুঁ হলেই বলা যেতে পারতো।’

তা বনফুল সম্পর্কে কবিগুরুর বিভিন্ন মতামত পড়লে একটা বিষয় আমাদের কাছে সুস্পষ্ট হয়ে উঠে যে, কবিগুরু একদিকে বনফুলের সম্ভাবনা সম্পর্কে নিশংসয় হয়েছিলেন তেমনি একজন অগ্রজ সাহিত্যিক হিসেবেও তিনি বনফুলকে যা সাবধান করার কথা তা করে দিয়েছিলেন। শুধু তাই নয়, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরই তাকে গদ্য ছন্দের নিয়মে কবিতা লিখতে শিখিয়েছিলেন। তবে অসাধারণ এক বন্ধুত্বের সম্পর্ক থাকলেও বনফুল কিন্তু সবসময় রবীন্দ্রনাথের সমালোচনা অনুযায়ী নিজের সৃষ্টিকে পরিবর্তন, পরিবর্ধন করেননি।

বনফুল / বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়। সুত্রঃ https://bn.wikipedia.org/

আসলে বনফুল ছিলেন বেশ স্বাধীনচেতা একরোখাঁ চরিত্রের সাহিত্যিক। যেমন ধরুন রবীঠাকুর বনফুলের লেখা ‘কিছুক্ষণ’ উপন্যাসটি পড়ে বলেছিলেন যে কাহিনির পরিপ্রেক্ষিতে বনফুল ভূমিকাতে যে দার্শনিক উচ্ছাস প্রকাশ করেছেন তা তাঁর কাছে বড্ড বেমানান মনে হয়েছে। কবিগুরুর এই সমালোচনা সত্ত্বেও বনফুল কিন্তু উপন্যাসটির সেই ভূমিকাটি কখনই বাদ দেননি। আবার বনফুল রচিত ‘শ্রীমধুসুদন’ জীবনি নাটকটি পড়ে কবিগুরু পরিষ্কার চিঠিতে জানালেন, নাটকটির মধ্যে ইংরেজির যে মিশেল রয়েছে, তা তাঁর মোটেও পছন্দ হয়নি। তাছাড়া নাটকটির মধ্যে দু’দুটো স্বপ্নদৃশ্য ছিল। একটি স্বপ্নদৃশ্যে বনফুল মাইকেল মধুসূদন দত্তের জীবনের মাদ্রাজ পর্বের বর্ননা করেছেন, আরেকটি স্বপ্নদৃশ্যে বনফুল, দেখিয়েছেন যে মধুসুদনের ভূত, সাহিত্যের উত্তরাধিকারি হিসেবে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের হাতে তাঁর সমস্ত লেখা সমর্পন করে দিয়ে চলে যাচ্ছেন। তা বনফুলের এই দুই স্বপ্নদৃশ্যের প্রবল সমালোচনা করেছিলেন রবীঠাকুর। কিন্তু সমালোচনা বনফুল মোটেই পছন্দ করেননি। তিনি তাঁর ‘শ্রীমধুসুদন’ নাটকটি থেকে স্বপ্নদৃশ্য দুটো বাদ দিতে রাজি হলেন না। পরে অবশ্য কবিগুরু নিজেই বলেছিলেন, ‘তোমার নাটকের শেষ দৃশ্য যেমন আছে, তেমনই থাক। তুমি যখন বদলাতেই চাইছো না, তখন আর জোর করবো না। নাটকের শেষ হিসেবে ভালোই হয়েছে। থাক যেমন আছে। ’

একটা মজার ঘটনা হচ্ছে, ১৯৩৯ সালে প্রকাশিত হয়েছে বনফুলের বিখ্যাত একটি অসাধারণ গল্প। ‘মানুষের মন’। গল্পটি পড়ে রবীঠাকুর এতো খুশি হয়েছিলেন যে, তিনি বনফুলকে একটা বখশিস দিতে চাইলেন। বনফুল সেই কথা শুনেই, কবিগুরুর কাছে চেয়ে বসলেন তাঁর একটা পুরানো জামা। কবিগুরু তো অবাক। বললেন, ‘না না, এ হয় নাকি।পুরানো জামা কেউ কাউকে দেয় নাকি?’ বনফুল বললেন, তাহলে আর কি? আমি আপনার কাছে আর কিছুই চাই না।

সেদিন শান্তিনিকেতন থেকে ফিরে আসার সময়, বনফুল একটা প্যাকেট পেলেন। সেই প্যাকেটের মধ্যে রয়েছে একটা পুরানো জামা। জামা তো নয় আসলে এক প্রকাণ্ড জোব্বা। তার একদিকে দামী পশম, আরেকদিকে নরম রেশম। সেই জোব্বার উপরেই ভাঁজ করা ছিল একটা চিঠি। চিঠিতে স্বয়ং রবীঠাকুর লিখেছেন, আমার এই অনেক দিনের সাজ, অতীতে যা ছিল আদৃত এবং বর্তমানে যা বর্জিত সেটি কল্যানীয় বলাইকে দান করা গেল। এরকম দানে দাতারও সম্মান নাই, গ্রহীতারও। নিজের মান রক্ষা অগ্রাহ্য করে অনুরোধ রক্ষাই স্বীকার করছি, এই মানই আমার কৈফিয়ত।

১৯৩৯ সাল, সেই সময় শান্তিনিকেতনে আসলেন বনফুল। কবিগুরু তাঁকে বললেন, তোমাকে একটা গল্পের প্লট দেব। তুমিই ঠিক পারবে। ভেবে দেখলুম আমার পক্ষে ও গল্প লেখা অশোভন হবে। তুমি ওটাকে নিয়ে লেখ দিকি। তোমার হাতেই ওটা ওতরাবে।

বনফুলকে সেই গল্পের প্লট রবীন্দ্রনাথ চিঠিতে লিখে পাঠিয়েছিলেন। বনফুল সেই প্লটকে কেন্দ্র করেই লিখে ফেললেন তাঁর অন্যতম একটি বিখ্যাত উপন্যাস নির্মোক। বলা বাহুল্য এই উপন্যাসটি পাঠকমহলে যথেষ্ট সমাদৃত হয়েছিল।

১৯৪১ সাল। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জীবনের শেষপ্রান্তে এসে উপস্থিত হয়েছেন। বনফুল সজনীকান্ত দাসের চিঠি থেকে জানতে পারলেন যে কবিগুরু ভীষণ অসুস্থ। তাকে শান্তিনিকেতন থেকে কলকাতায় আনা হয়েছে। সেই ভয়ানক অসুস্থতার মধ্যেও কিন্তু কবিগুরু সজনীকান্ত দাসকে দেখে বনফুলের কথা জিজ্ঞেস করেছেন। বনফুলও কবিগুরুকে দেখতে যাবো যাবো করছেন। এমন সময় ভেসে এলো সেই মর্মান্তিক সংবাদ। কবিগুরু আর নেই।

সেই সময়ের অভিজ্ঞতা নিয়ে বনফুল রবীন্দ্রস্মৃতি বইতে লিখেছেন, ‘রেডিওর সামনে বসে শ্রীবরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের মুখে সমস্ত দেশের বুক ফাটা হাহাকার শুনতে লাগলাম। সমস্ত দিন যে কিভাবে কাটল তা বর্ণনা করতে পারবো না। রাত্রে ঘুম হলো না। সকালে উঠেই একটা কবিতা লিখে প্রবাসীতে পাঠিয়ে দিলাম।’

এ কথা বলার অপেক্ষা রাখে না যে, রবীন্দ্রপ্রয়ানে বনফুল গভীরভাবে শোকাহত হয়েছিলেন। তিনি মন প্রাণ উজাড় করে বলেছিলেন যে, কবিগুরু রবীন্দ্রনাথের মতো বিরাট প্রতিভা, বিরাট ব্যক্তিত্ব, বিরাট হৃদয় তাকে যে স্পর্শ করেছিল, তাকে যে আপনজনের মতো কাছে টেনে নিয়েছিলেন, তিনি যে হাসিমুখে তাঁর সমস্ত আবোলতাবোল প্রগল্ভ চরিত্রকে সহ্য করেছিলেন, সেই আনন্দের, সেই উজ্জ্বল বিচিত্র স্মৃতি তাঁর মনে চিরকালের জন্য অক্ষয় হয়ে থাকবে।

পরবর্তীতে যতোদিন বেঁচে ছিলেন, সুযোগ পেলেই বনফুল রবীন্দ্রনাথকে স্মরণ করেছেন।   

গল্পসল্প আড্ডা

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

spot_img

সম্পর্কিত নিবন্ধ

জুতা (ছোট গল্প)- আফিন্দী

জুতাবিদ্যুৎ’এর গলার তেজে ফাঁকা মেসরুম গমগম করে উঠলো, “ভাই, তুমি যাবে পাঁচ ভাইয়ে? খিদেয় আমার জান যায়! খালা...

মৃত্যু পরবর্তী জগতের অভিজ্ঞতা 

মৃত্যু পরবর্তী জগতের অভিজ্ঞতা  মৃত্যু পরবর্তী জীবনের অভিজ্ঞতা কেমন? মানুষ তার অনিশ্চিত জীবনে শুধু একটি বিষয়ের নিশ্চয়তা নিয়ে জন্মেছে।...

বুক রিভিউ- হুমায়ূন আহমেদের ‘মেঘ বলেছে যাব যাব’

বুক রিভিউ- হুমায়ূন আহমেদের 'মেঘ বলেছে যাব যাব' বুক রিভিউ- হুমায়ূন আহমেদের 'মেঘ বলেছে যাব যাব'।বইয়ের নাম:মেঘ বলেছে যাব...

ডা. স্যাটান: সিরিয়াল কিলার ডা. মার্সেল পেটিওটের ভয়ংকর গল্প!

তাকে আখ্যা দেয়া হয়েছিল ডা. স্যাটান বলে। তিনি একই সাথে একজন সৈনিক, ডাক্তার, মেয়র, ভয়ঙ্কর অপরাধী এবং সিরিয়াল...